• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২৮ অপরাহ্ন |
শিরোনাম :
নীলসাগর ট্রেনের বগি লাইনচ্যুত, ঢাকার সঙ্গে উত্তরবঙ্গের রেল যোগাযোগ বন্ধ বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু

রাস্তায় মরদেহ ফেলে যাচ্ছেন স্বজনরা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক, ৫ এপ্রিল ।। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ইকুয়েডরে প্রতিদিনই বাড়ছে মৃতের সংখ্যা। দেশটিতে মহামারির কেন্দ্রস্থল গুয়াইয়াকুইল শহর। সারাদেশের প্রায় ৭০ শতাংশ রোগীই এ অঞ্চলের।

ইতোমধ্যেই সেখানকার হাসপাতালগুলোর ধারণক্ষমতা পূরণ হয়ে গেছে। নতুন রোগী ভর্তি হতে না পেরে হাসপাতালের সামনে, রাস্তায় পড়ে থাকছেন অনেকে। বেঘোরে প্রাণ যাচ্ছে সেখানেই। আবার করোনা আক্রান্ত হয়ে কেউ বাড়িতে মারা গেলেও শেষকৃত্যের ব্যবস্থা করতে না পেরে প্রিয়জনের মরদেহ সড়কেই রেখে যাচ্ছেন অনেকে।

দেশটির করোনা নিয়ন্ত্রণ টাস্কফোর্স জানিয়েছে, তারা সড়ক থেকে প্রতিদিন শতাধিক মরদেহ সংগ্রহ করছেন।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, অনেক পরিবার তিন-চারদিন ধরে প্রিয়জনের মরদেহ নিয়ে বাড়িতে অপেক্ষা করছেন, কখন ফরেনসিক টিম এসে সেটি সরিয়ে নেবে।

গত সপ্তাহে গুয়াইয়াকুইলের কাউন্সিলর আন্দ্রেস গুশমার জানিয়েছিলেন, তখন পর্যন্ত চার শতাধিক মরদেহ বিভিন্ন বাড়ি থেকে বের করেছে কর্তৃপক্ষ। স্থানীয়দের হিসাবে, তালিকাভুক্ত আরও সাড় চারশ’র বেশি মরদেহ বের করার অপেক্ষায় আছে।

সরকারি হিসাবে, ইকুয়েডরে এখন পর্যন্ত ৩ হাজার ১৬৩ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে, মারা গেছেন ১২০ জন। তবে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, অনেকেই বিনাপরীক্ষায় মারা গেছেন। আগামী কয়েক সপ্তাহে সেখানে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্চে। সূত্র: আনাদোলু এজেন্সি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ